ভালবাসি
তোমাকে,
তোমাকেই ভালবাসি ।
তোমাকে দেখেই
তোমার ঐ গহীন,
উৎফুল্ল সৈকতে
ভাসিয়ে দিয়েছি মন ।
সেই দিন তোমার
দুটি হাত ধরে
যে অনুভূতি পেয়েছিলাম,
সে অনুভূতি কখনো
ভূলার নয় ।
তুমিতো আমার নিরব ভাললাগার গল্প,
এ এক সুখের তীব্র ঝঙ্কার ।
মনের ঐ বেপরোয়া চাওয়া গুলো
হৃদয়টাকে ক্ষত করছে,
সারা বেলা ।
আর বুজি ফিরবেনা
অবুজ মন,
প্রতিক্ষিত হৃদয়ে চাই
যে মিলন,
বাঁধতে চাই ভালবাসার
বাঁধনে সবই,
ভালবাসি তোমাকে
তোমাকেই ভালবাসি।
-ইয়াসমিন খান
ব্যাথা! এই দিয়ে শুরু হল আমার
নিত্য দিনের রক্ত-সঞ্চালন,
যে দিন জন্ম নিয়েছিলাম পৃথিবীতে
এলাম সেই দিন,
ব্যাথার তীব্র যন্ত্রনায়
মায়ের সারা দেহটা আকড়ে নিয়েছিল ।
এই ব্যাথা আনন্দ হয়ে
মায়ের মুখে হাসি ফুটেছিল
আমার নিস্পাপ মুখ দেখে,
দুচোখ ভেদ করে গড়িয়ে পড়েছিল
ব্যাথা জল হয়ে শান্তির সাগরে ।
শান্তিরই পূর্বাভাস
ব্যাথার আর্বিভাব হয়ে
আসে সবার জীবনে,
ব্যাথা না থকলে সুখের অস্তিত্বটা
হয়ত বুজতাম না কেউই ।
-ইয়াসমিন খান
ভরের
মেঘগুলো যেন নেমে আসে
আলত আলত হাওয়ায়,
কুয়াশা হয়ে চারিদিক ছেয়ে
ছুঁয়ে যায় প্রত্যেক মানুষের গাঁয় ।
বোবা এক মায়ার টানে
এটা তো প্রকৃতির অন্য রকম
আবির্ভাবের প্রকাশ হয় অনুভবে,
এর তো জন্ম আমাদের জন্য
তাই হারিয়ে যায়ও আমাদের ভিতরে ।
দুঃখ-সুখ, সুখ-দুঃখ একটা জীবনে
আত্মার নির্দেশে চলে,
এর হাজার হাজার
রঙ বেরঙেই জীবন জড়ানো
বাকি জড়িয়ে পরে,
জড়ানো হয় ।
প্রত্যেকটা নিঃশ্বাস, প্রত্যেকটা মুহূর্ত
প্রত্যেকটা সময়, প্রত্যেকটা দিন-রাত,সপ্তাহ,মাস,বছর
শুরু হয়;শেষ হয় ৩৬৫ দিন ।
৩৬৫ দিনে নতুন জীবন পায়
প্রত্যেকটা সৃষ্টির।
-ইয়াসমিন খান
বিশ্বাসে বিশ্বাস চাই
নিঃশ্বাসে থাকো শুধু যে তুমি,
তুমি আছো সব জায়গায় সর্বক্ষণই
তোমার মাঝে আমি আছি
আমার মাঝে তুমি,
তোমার মতো করে কেউ
আমায় ভালোবাসেনি ।
তুমি আমার চন্দ্র-সূর্য অনন্তি
তুমি আমার অন্ধকার জীবনে
পূর্ণিমার জ্যোতি ।
চিন্তা ভাবনায় ধ্যান মগ্নে
তোমায় শুধু দেখি,
আমার প্রেমের দুর্গ তুমি
সেথায় থাকো বিরাজ
হয়ে বাদশাহী ।
তোমার দিল দরিয়াই
ভাসিয়ে নাও
আমার সারা জিন্দিগি ।
-ইয়াসমিন খান
কিযে হল হাসি নেই মুখে
তবুও যেন হেসে যাচ্ছে মন
সারাক্ষণ কষ্ট নেই তার পরেও
মনে হয় সব কষ্ট ঘিরে আছে
প্রজাপ্রতির মত উড়তে চাই মন
রংধনুর সমস্ত রং যেন
সাজিয়ে দেয় তার নানা রকম রঙে
পৃথিবীর সমস্ত সুর যেন
বেজে উঠে কন্ঠে
তাকে দেখতে ইচ্ছে করে
নিস্পলক চোখে অনেক কাছ থেকে
মনের আঙ্গিনায় সপ্নগুলো হাতছানি দেয়
মধুময় করে তুলে জীবনটাকে
তাকে নিয়ে অন্তরে অনুরাগ মেতে উঠে
তার আশাটা যেন
করুণাময়ের এক অমৃত দান
জীবনের সব কিছু যেন
তাকে ছাড়া লাগে বেমানান
তার জন্য সিমাহীন সাজতে ইচ্ছা করে
তার একটু স্পর্শে মাথা থেকে
পা পর্যন্ত রক্ত খেলে যায় নিরবে
এ এক অলৌকিক শান্তি
এই সুখে বাঁচতে চায়
অন্তিম হয়ে আবার
মরতে চায়ও মন
এটাই কি প্রেমের অনুভূতি
নাকি অনুমতি প্রিয়তম ।
-ইয়াসমিন খান
পূর্ণিমা রাতে নিশি প্রহরে যখন
জানালার ফাঁকে জোস্নার আলো
আমার বিছানায় ছড়িয়ে পরে
ব্যাকুল হয়ে পরে মন
তোমাকে পেতে ।
হৃদয় চায় তোমার ভালবাসা
মরিয়া হয়ে যায় তখন
তোমার সোহাগ মাখিতে
সারা গাঁয় ।
প্রিয়তম তোমাকে চাই শুধু
তোমাকে চাই ।